





Bright Comprehensive Development Organisation (BaCDO) ব্রাইট এণ্ড কমপ্রিহেনসিভ ডেভোলাপমেন্ট অর্গানাইজেশন ( বেকডো)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
“Bright And Comprehensive Development Organization(BaCDO) ব্রাইট এণ্ড কমপ্রিহেনসিভ ডেভোলাপমেন্ট অর্গানাইজেশন (বেকডো) ” শোষণমুক্ত, বাসযোগ্য, ন্যায়ভিত্তিক ও সুশীল সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠিত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো একটি উন্নত ও সভ্য সমাজ গঠন করা, যেখানে সকল মানুষ ন্যায়ের ভিত্তিতে সমান অধিকার ভোগ করবে। এই সংস্থার পথচলা শুরু হয়েছে আমাদের তরুণ সমাজের শক্তি ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞায়, যারা বিশ্বাস করে একটি সমতাভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ এবং প্রগতিশীল সমাজ গঠনে নিজেদের ভূমিকা রাখতে পারে।
গত পাঁচ বছর ধরে গভীর চিন্তা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা হয়েছে। বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পর, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আমরা আমাদের যাত্রা শুরু করি। আমাদের স্লোগান, “শোষণমুক্ত, বাসযোগ্য, ন্যায়ভিত্তিক ও সুশীল সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলে, আমাদের দেশ উন্নয়ন হবেই”, আমাদের পথচলার মূলমন্ত্র এবং লক্ষ্যকে আরও স্পষ্ট করে তুলে ধরে।
বর্তমান সময়ে দেশের মধ্যে যে অর্থনৈতিক শোষণ, সামাজিক বৈষম্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগতির অভাব দেখা যাচ্ছে, তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। আমাদের সংগঠন এই উদ্দেশ্যে কাজ করছে, যাতে প্রত্যেক নাগরিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হয় এবং সমান সুযোগ পায়। আমরা বিশ্বাস করি যে, একটি ন্যায়সঙ্গত সমাজ গঠনে সবার অবদান অপরিহার্য এবং তাই এই সংস্থা একযোগে কাজ করে একটি উন্নত, স্থিতিশীল ও সুখী জাতি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এই দীর্ঘ পথচলায় আমাদের জন্য একটি শক্তিশালী সংবিধান এবং কার্যকর নীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে আমাদের একে অপরের সহায়তায়, সাম্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একযোগে কাজ করতে হবে। আমাদের বিশ্বাস, এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখলে একদিন আমরা একটি উন্নত, সুশীল এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব।
Our approach
প্রস্তাবনাঃ
- আমরা, বাংলাদেশ সমাজ পুনর্নির্মাণ ও পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থা-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্যগণ, আল্লাহর প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা নিয়ে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এই সংগঠনের সংবিধান প্রণয়ন করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো নৈতিকতা, সততা, ও দক্ষতার ভিত্তিতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করা এবং বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
- আল্লাহর প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস রেখে ন্যায়, সত্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।
- সমাজে নৈতিকতা, সততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে সমৃদ্ধির সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা।
- দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
- দক্ষ, যোগ্য, নীতিবান ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং সমাজের সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা।
- শিক্ষা, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করা।
শ্লোগানঃ
- এই সংস্থার শ্লোগান হল-“স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস ও দেশের প্রতি অগাধ ভালোবাসা।” আমরা বিশ্বাস করি, দেশকে ভালবেসে শোষণমুক্ত, বাসযোগ্য, ন্যায়ভিত্তিক ও সুশীল সমাজ প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি নিয়ে আমরা একযোগে কাজ করলে, আমাদের দেশ অবশ্যই উন্নতির শিখরে পৌঁছাবে।
কার্যালয় ও কার্য এলাকাঃ
- এই সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংগঠনটি বাংলাদেশের যেকোনো সুবিধাজনক স্থানে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে কেন্দ্রীয় কার্যালয় স্থাপন করতে পারবে। পরবর্তীতে, সংগঠনের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় রেখে, সংগঠনটি নিজস্ব বা ভাড়া করা ভবনে স্থায়ী কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে। তবে, কেন্দ্রীয় কার্যালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন। যদি সদস্যগণ একমত না হন, তবে উচ্চ কক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে।
- এই সংগঠনের কার্য এলাকা হলো বাংলাদেশের সকল অঞ্চল। তবে, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ পৃথিবীর যেকোনো স্থান থেকে সংগঠনের কাজের অংশ হিসেবে কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
উচ্চ পরিষদ (সুপ্রিম কাউন্সিল):
- সংগঠনের নীতি ও আদর্শ সংরক্ষণ এবং যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য উচ্চশিক্ষিত, নীতিবান, সৎ, প্রজ্ঞাবান, জ্ঞানী ও ধর্মপরায়ণ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ পরিষদ (সুপ্রিম কাউন্সিল) গঠন করা হবে। এই পরিষদ সংগঠনের সর্বোচ্চ পরামর্শমূলক ও তত্ত্বাবধায়ক সংস্থা হিসেবে কাজ করবে।উচ্চ পরিষদের দায়িত্ব হবে–
- (১) সংগঠনের প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি ও কোষাধ্যক্ষ মনোনীত করা।
- (২) সংগঠনের মূল নীতি, কাঠামো ও দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা।
- (৩) নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে পরামর্শ দেয়া।
- (৪) সংগঠনের সংবিধান সংশোধনীর ব্যাপারে নির্বাহী পরিষদকে পরামর্শ দেয়া।
- (৫) নির্বাহী পরিষদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা।
- (৬) নির্বাহী পরিষদের কারো ব্যাপারে অভিযোগ উত্থাপিত হলে সেই ব্যাপারে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া।
- (৭) ইউনিক রিসার্চ উইং এর সদস্য নির্বাচন ও চুড়ান্ত করা।
- (৮) ইউনিক রিসার্চ উইং এবং নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ করানো এবং উভয় চেম্বারের উপদেষ্টা পরিষদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা।
ইউনিক রিসার্চ উইংঃ
- সংগঠনের উচ্চ পরিষদ (সুপ্রিম কাউন্সিল) সদস্যদের মধ্য থেকে অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান, বিশ্লেষণধর্মী, সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিদের নিয়ে “ইউনিক রিসার্চ উইং” গঠন করা হবে। এই উইং-এর প্রধান দায়িত্ব হবে সংগঠনের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নির্বাচন ও মূল্যায়নের জন্য নির্ভরযোগ্য গবেষণা ও বিশ্লেষণ পরিচালনা করা এবং সুপ্রিম কাউন্সিলে গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়া।
- ইউনিক রিসার্চ উইং-এর গঠন, সদস্য নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও সদস্য নির্বাচনের মানদণ্ড নিন্মে দেয়া হল:(ক) বিশ্লেষণধর্মী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হতে হবে।(খ) নৈতিকভাবে সৎ, আল্লাহভীরু ও ন্যায়পরায়ণ হতে হবে।(গ) সংগঠনের মূলনীতি ও লক্ষ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।(ঘ) দায়িত্বশীল, নিরপেক্ষ ও ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হতে হবে।(ঙ) সংগঠনের স্বার্থে ব্যক্তিগত ও দলীয় মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে।
- উচ্চ পরিষদের পত্যক্ষ ভোটে বা সিলেকশনে ইউনিক রিসার্চ উইং গঠিত হবে। নিন্মে নির্বাচন প্রক্রিয়া দেয়া হল: (ক) উচ্চ পরিষদ নিজেদের মধ্য থেকে এই উইং-এর সদস্যদের মনোনীত করবে। (খ) সদস্যদের অতীত কর্মকাণ্ড, বিচার-বিশ্লেষণের পারদর্শিতা, সততা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা পর্যালোচনা করা হবে। (গ) সদস্যরা নির্দিষ্ট সময় অন্তর মূল্যায়নের আওতায় আসবেন এবং প্রয়োজন হলে পরিবর্তন বা পুনর্নবায়ন করা হবে।
ইউনিক রিসার্চ উইং-এর কার্যপ্রণালী
- সদস্যদের মধ্য থেকে যোগ্য নেতৃত্ব চিহ্নিত করা: (ক) সংগঠনের সদস্যদের দক্ষতা, সততা, কর্মচঞ্চলতা, দায়িত্ববোধ ও আল্লাহভীতি যাচাই করা। (গ) সদস্যদের কর্মকাণ্ড ও আচরণ বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করা।
- কিভাবে গভীরভাবে বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন করা হবে তা নিন্মে বর্ণনা করা হল: (ক) সদস্যদের অতীত কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা ও নৈতিক অবস্থান পরীক্ষা করা। (গ) সুস্পষ্ট গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিদের বাছাই করা।
- ইউনিক রিসার্চ উইং সর্বদা নিরপেক্ষ ভাবে গবেষণা ও মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দিবে এবং সংগঠনের সম্ভাব্য নেতাদের সততা, দক্ষতা, জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও দেশপ্রেম মূল্যায়ন করবে।
- চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত যোগ্য ও উপযুক্ত নেতৃত্বের একটি তালিকা সুপ্রিম কাউন্সিলের কাছে উপস্থাপন করা। সুপ্রিম কাউন্সিল এই তালিকা থেকে প্রেসিডেন্টসহ নির্বাহী পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা।
নীতিমালা ও আচরণবিধি
- ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের অনুসরণঃ সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে সর্বদা আল্লাহর বিধান এবং নৈতিক মূল্যবোধ মেনে চলতে হবে। সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ বা অন্যান্য ধর্মের অনুসারিরা তাদের নিজ নিজ ধর্মের নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ অনুসারে জীবনযাপন করবেন। এই বিধান অমান্য করে কোনো কার্যকলাপে লিপ্ত হলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যা প্রয়োজনে সংগঠন থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত গড়াতে পারে।
- দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞাঃ তৃণমূল পর্যায় থেকে শীর্ষ নির্বাহী স্তর পর্যন্ত সংগঠনের যে কোনো কর্মকাণ্ডে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, আর্থিক অনিয়ম বা ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। সংগঠনের যে কোনো সদস্য যদি এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত হন, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যা সাময়িক বরখাস্ত থেকে স্থায়ী বহিষ্কার এবং আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ পর্যন্ত হতে পারে।
- গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও মতামতের গুরুত্বঃ সংগঠনের সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হবে, যেখানে নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মতামত গুরুত্ব পাবে। কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সংগঠনের সাধারণ সদস্যদের মতামতকেও মূল্যায়ন করা হবে, যাতে সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা বজায় থাকে। যদি কোনো সদস্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন বা অনৈতিক উপায়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে চান, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাঃ সংগঠনের সকল ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন স্বচ্ছ ও নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করা হবে। প্রতিটি অর্থনৈতিক লেনদেনের যথাযথ হিসাব রাখা হবে এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর তা সদস্যদের কাছে প্রকাশ করা হবে। কোনো অবস্থাতেই আর্থিক অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। অর্থ সংক্রান্ত দুর্নীতি, অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতির সন্দেহজনক কোনো কার্যক্রম পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- এই নীতিমালার প্রতিটি ধারা কঠোরভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে এর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। কেউ যদি এই নীতিমালার বিরুদ্ধে কাজ করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংগঠন সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।
নাম ও প্রকৃতিঃ
- সংগঠনের নাম হবে “ব্রাইট এণ্ড কমপ্রিহেনসিভ ডেভোলাপমেন্ট অর্গানাইজেশন (বেকডো)” এই সংগঠনটি ইংরেজিতে Bright And Comprehensive Development Organisation (BaCDO) নামে পরিচিত হবে।
- এই সংগঠন একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, নীতি-আদর্শভিত্তিক, অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক এবং কল্যাণমুখী সংস্থা। এর অধীনে অনেকগুলি সময়োপযোগী অঙ্গসংগঠন থাকবে, যা এই সংগঠনের উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। তবে, এই সংগঠন অন্য কোনো সংগঠনের অঙ্গসংগঠন হিসেবে কাজ করবে না।
- সংগঠনটি দেশের সংবিধান ও আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকবে না।
ভিশনঃ
- বাংলাদেশকে শোষণমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক, উন্নত ও আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, ন্যায়বিচার ও সুযোগ সুবিধা লাভ করবে। একটি স্বচ্ছ, নৈতিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার মাধ্যমে রাষ্ট্রকে ন্যায়ের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া।
সংগঠনের মনোগ্রামের বিবরণঃ
- সংগঠনের মনোগ্রামটি একটি সমৃদ্ধ, উন্নত ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরবে।
- মনোগ্রামের কেন্দ্রস্থলে সবুজ রঙের একটি পাতা, যা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ প্রকৃতি, নবজীবন ও টেকসই উন্নয়নের প্রতীক। পাতার ওপর সাদা রঙের একটি সূচ্চ ভবন (স্কাইস্ক্র্যাপার) থাকবে, যা আধুনিকতা, অগ্রগতি ও উন্নতির প্রতীক হিসেবে দাঁড়াবে। স্কাইস্ক্র্যাপারটির চারপাশে পার্পেল বা ময়ূরপঙ্খী রঙের একটি বৃত্ত, যা জ্ঞান, মর্যাদা ও ঐক্যের প্রতীক। এই বৃত্ত থেকে সোনালি আলোকরশ্মি বিচ্ছুরিত হবে, যা ন্যায়, সততা ও সুশাসনের মাধ্যমে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত বহন করবে।
- এই মনোগ্রামটি সংগঠনের মূল আদর্শ – শোষণমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক, ও উন্নত সমাজ গঠনের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে॥
সদস্যপদঃ
- যে কোনো ব্যক্তি, যিনি আল্লাহর প্রতি অটুট বিশ্বাস রাখেন, নৈতিকভাবে সৎ, দক্ষ, দায়িত্বশীল এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ, তিনি এই সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
- সংগঠনের কোনো সদস্য দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না বা কোনো প্রকার অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারবেন না। যদি কারও বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে তার সদস্যপদ বাতিল করা হবে।
- সংগঠনের আদর্শ, নীতি ও গোপনীয় তথ্য রক্ষা করা প্রতিটি সদস্যের নৈতিক দায়িত্ব। কেউ যদি এই আদর্শবিরুদ্ধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হন বা সংগঠনের গোপনীয় তথ্য ফাঁস করেন, তবে তার সদস্যপদ স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে।
- সদস্যপদ অর্জনের জন্য নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাধ্য অনুযায়ী মাসিক চাঁদা প্রদানের অঙ্গীকার করতে হবে।
সংগঠনের কাঠামোঃ
সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমিটি থাকবে, যা সংগঠনের মূল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে। কেন্দ্রীয় কমিটি নিম্নলিখিত পদসমূহের সদস্যদের নিয়ে গঠিত হবেঃ
সভাপতি: সংগঠনের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা, যিনি সংগঠনের দিকনির্দেশনা ও নীতি নির্ধারণে নেতৃত্ব দেবেন।
সহ-সভাপতি: সভাপতির অনুপস্থিতিতে তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সহায়তা করবেন।
সাধারণ সম্পাদক: সংগঠনের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, সভা আয়োজন ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তদারকি করবেন।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: সাধারণ সম্পাদকের সহকারী হিসেবে সংগঠনের দৈনন্দিন কার্যক্রমে সহযোগিতা করবেন।
কোষাধ্যক্ষ: সংগঠনের সকল আর্থিক বিষয় তদারকি করবেন, বাজেট তৈরি ও অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন।
গবেষণা ও পরিকল্পনা সম্পাদক: সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তৈরি, নীতি গবেষণা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক: সংগঠনের কার্যক্রম প্রচার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠনের ভাবমূর্তি তুলে ধরার দায়িত্ব পালন করবেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক: সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কাঠামো সুসংহত রাখা, নতুন সদস্য সংযুক্ত করা এবং সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যক্রম সমন্বয় করবেন।
আইন ও নীতিমালা সম্পাদক: সংগঠনের সংবিধান, আইন ও নীতিমালা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং আইনি সহায়তা প্রদান করবেন।
শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক: সংগঠনের সদস্যদের জন্য নৈতিক শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
তহবিল সংগ্রহ ও উন্নয়ন সম্পাদক: সংগঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতে অনুদান সংগ্রহ, ফান্ডরেইজিং ইভেন্ট এবং আর্থিক কৌশল প্রণয়ন করবেন।
সমাজসেবা ও মানবাধিকার সম্পাদক: মানবাধিকার রক্ষা, দারিদ্র্য বিমোচন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
তথ্যপ্রযুক্তি ও ডিজিটাল যোগাযোগ সম্পাদক: সংগঠনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট এবং প্রযুক্তিগত দিক তদারকি করবেন।
- সংগঠনের কার্যক্রম আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনে অতিরিক্ত পদ সংযোজন করা যেতে পারে এবং স্থানীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে একই কাঠামোর অধীনে শাখা কমিটি গঠন করতে হবে।
- সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য স্থানীয়, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে। এসব কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে এবং সংগঠনের মূলনীতি, আদর্শ ও লক্ষ্য অনুযায়ী কাজ করবে।
স্থানীয় কমিটিঃ প্রত্যেক উপজেলা, থানা বা ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় কমিটি থাকবে, যা তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করবে।
জেলা কমিটিঃ প্রতিটি জেলায় সংগঠনের কার্যক্রম সুসংগঠিত ও সমন্বিতভাবে পরিচালনার জন্য জেলা কমিটি গঠন করা হবে, যা স্থানীয় কমিটিগুলোকে দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদান করবে।
জাতীয় কমিটিঃ কেন্দ্রীয় কমিটির অধীনে জাতীয় পর্যায়ের সংগঠনের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ও পরিচালনাগত দায়িত্ব পালন করবে এবং জেলা ও স্থানীয় কমিটিগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করবে।
- প্রতিটি স্তরের কমিটি স্ব-স্ব স্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা রাখবে, তবে তা অবশ্যই সংগঠনের মূল আদর্শ ও কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
উচ্চ পরিষদ নির্বাচনের পদ্ধতিঃ
- উচ্চ পরিষদের সদস্যরা সর্বোচ্চ সততা, প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন। নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে অর্থাৎ প্রত্যাক্ষ অথচ প্রার্থীবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে সুপ্রিম কাউন্সিল বা উচ্চ পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হবেন। নির্বাচন-পূর্ব সম্ভব্য উচ্চ পরিষদের সদস্যদের অতীত কর্মকাণ্ড ও সততা যাচাই করে চূড়ান্ত করা হবে। নির্বাচিত সদস্যদের কার্যকাল নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্ধারিত হবে এবং প্রয়োজনে নবায়ন বা পরিবর্তন করা যাবে।
- উচ্চ পরিষদের নির্বাচনে যে সব যোগ্যতা বিবেচনা করা হবে: (১) উচ্চশিক্ষিত ও প্রজ্ঞাবান হতে হবে। (২) নৈতিকাতা, সততা ও ধর্মপরায়ণতা থাকতে হবে। (৩) সংগঠনের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ও অভিজ্ঞ হতে হবে।
নির্বাচন ব্যবস্থাঃ
- এই সংগঠনের নির্বাচন ব্যবস্থা হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও উদ্ভাবনী। এতে বিশেষভাবে গঠিত উচ্চ পরিষদ, ইউনিক রিসার্চ উইং এর প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্বাহি পরিষদের বিশেষ নেতৃত্ব নির্বাচন করবে, যা সংগঠনের নৈতিক ও গঠনমূলক নেতৃত্ব নিশ্চিত করবে।
- ইউনিক রিসার্চ উইং নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে প্রার্থীদের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করবে।
- ইউনিক রিসার্চ উইং উচ্চ পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে সম্ভাব্য নেতাদের একটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করবে এবং জমা দিবে;
- সুপ্রিম কাউন্সিল মনোনীতদের অতীত রেকর্ড, নৈতিকতা ও দক্ষতা পরীক্ষা করে একটা তালিকা প্রনয়ন করবে।
- উচ্চ পরিষদ নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ভোট বা সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি ও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচন করবে।
- নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট উচ্চ পরিষদের পরামর্শক্রমে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেবেন।
- নির্বাচিত নেতাদের কাজ পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং যদি কেউ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন বা সংগঠনের নীতির পরিপন্থী কোনো কাজে লিপ্ত হন, তাহলে উচ্চ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে অপসারণ করা হবে।
কার্যক্রম ও কর্মসূচিঃ
সংগঠনের কার্যক্রম ও কর্মসূচি শুধুমাত্র সাধারণ প্রচারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তা পরিচালিত হবে। প্রতিটি প্রকল্পের জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হবে, যারা নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করবে। সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো আসন্ন প্রজন্মকে আধুনিক চিন্তাধারা, নৈতিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্বের চেতনায় গড়ে তোলা এবং দেশ ও সমাজের সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা:
- এই প্রকল্পের অধীনে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কর্মক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সেমিনার, ওয়ার্কশপ এবং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে।
- দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে চিহ্নিত ও প্রতিরোধ করতে গণমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে।
- স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতিবিরোধী কমিটি গঠন করা হবে, যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করবে।
- দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তার সমাধানের জন্য “স্বচ্ছতা হটলাইন” চালু করা হবে।সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও তার সমাধানের জন্য “স্বচ্ছতা হটলাইন” চালু করা হবে।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবাধিকার সংক্রান্ত উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনাঃ
- “শিক্ষা সবার জন্য” প্রকল্প: সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও তরুণদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে টিউশন, অনলাইন কোর্স, ও স্কলারশিপ প্রদান করা হবে।
- “সবার জন্য স্বাস্থ্য” প্রকল্প: গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে মোবাইল মেডিকেল ক্যাম্প, স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি ও বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করা হবে।
- মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা মনিটর করার জন্য “ন্যায়বিচার কেন্দ্র” স্থাপন করা হবে, যা আইনি সহায়তা ও পরামর্শ দেবে।
- দেশপ্রেম ও নৈতিকতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা আয়োজন
- “নৈতিক ও নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মশালা”: তরুণদের দেশপ্রেম, সততা, এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের গুণাবলী শেখানোর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
- শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ, কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিভিন্ন কর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হবে।
- স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে “জাতীয় মূল্যবোধ শিক্ষা কর্মসূচি” পরিচালনা করা হবে, যেখানে তরুণদের মধ্যে সততা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা হবে।
নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রচার ও গবেষণা কার্যক্রমঃ
- “ন্যায়বিচার ও সুশাসন গবেষণা ইনস্টিটিউট” প্রতিষ্ঠা করা হবে, যা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নাগরিক অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বিশ্লেষণ করবে এবং তার সমাধান নিয়ে গবেষণা করবে।
- “আইন সচেতনতা ক্যাম্পেইন” পরিচালনা করা হবে, যাতে নাগরিকরা তাদের মৌলিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে এবং অন্যায় হলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে।
- সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করতে তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে সুপারিশ প্রস্তাব পাঠানো হবে।
দেশের নাগরিকদের বিভিন্নভাবে কর্মে নিয়োজিত রাখা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি –
- “কর্মসংস্থান উন্নয়ন প্রকল্প”: তরুণদের জন্য স্টার্টআপ ফান্ড, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের জন্য ঋণ সহায়তা এবং ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
- “উদ্যোক্তা তৈরি কর্মসূচি”: যুব সমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগ সহায়তা প্রদান করা হবে।
- বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষদের জন্য কর্মমুখী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা স্বনির্ভর হতে পারে এবং নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে।
- প্রবীণ নাগরিকদের জন্য “সিনিয়র সিটিজেন কর্মসংস্থান” চালু করা হবে, যাতে তারা তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সমাজে অবদান রাখতে পারে।
কার্যক্রমের বাস্তবায়ন ও পরিচালনাঃ
- প্রতিটি প্রকল্পের জন্য স্বতন্ত্র কমিটি থাকবে, যা পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে।
- সংগঠনের প্রতিটি কার্যক্রম স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলকভাবে পরিচালিত হবে, যেখানে সকল সদস্যের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সংগঠনের কার্যক্রমের অগ্রগতি জনগণের সামনে উপস্থাপন করা হবে।
- সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো হবে।
Lets Join Us
Members Worldwide
0
K+
Children Helped
0
+
Funds Raised
$
0
M+
Food Provided
0
T














